আল্লাহ্ তার বান্দাকে কীভাবে হেফাজত করেন সেই বিষয়ে ইবনে রজব হাম্বলী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, "বান্দার দ্বীনকে হেফাজত করার জন্য আল্লাহ্র আরেকটি পদ্ধতি হলো বান্দার দুনিয়াবি কামনা ব্যর্থ করে দেওয়া। বান্দা হয়তো নেতৃত্ব বা ব্যবসা-বাণিজ্যের মতো কোনো দুনিয়াবি জিনিসের পেছনে ছুটছে। কিন্তু এটা তার দ্বীনের জন্য কল্যাণকর নয় বলে আল্লাহ্ তাকে লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ করে দেন। বান্দা এর পেছনে আল্লাহ্র হিকমাহ বুঝতে না পেরে দুঃখিত হয়ে যায়। . ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেন, “বান্দা হয়তো ব্যবসায় বা নেতৃত্বে র জন্য তোড়জোড় করে এই আশায় যে, তা তার জন্য সহজ করে দেওয়া হবে। আল্লাহ্ তাকে দেখে ফেরেশতাদের আদেশ দেন, ‘তাকে এ থেকে বিরত রাখো। কারণ আমি যদি তার জন্য এটির ইচ্ছা করতাম, তাহলে তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করাতাম।’ ফলে আল্লাহ্ তাকে এ কাজ থেকে বিরত রাখবেন। বান্দা রাগে-দুঃখে বলতে থাকবে, ‘অমুক আমাকে হারিয়ে দিলো! তমুক আমাকে ছাড়িয়ে গেলো!’ অথচ এ সবই আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার দয়া।” . আরো আশ্চর্যের বিষয় হলো, বান্দা হয়তো কোনো নেক আমল করতে তৎপরতা চালাচ্ছে, কিন্তু তা তার জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ পথ নয়। ফলে আল্লাহ্ তার ও তার আমলের মা...